মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকারকে ফের ক্ষমতায় দেখতে চাইলেন নারায়ণগড়ের এক সিপিএম নেতা
দি নিউজ লায়ন ; স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে ফের তৃণমূলের সরকার দেখতে চাইছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় পঞ্চায়েত সমিতির দুবারের প্রাক্তন সিপিএম সদস্য ৬৩ বছরের বৃদ্ধ শক্তিপদ ভুঁইয়া।তার পরিবার সূত্রে জানা যায় যে গত ৭ ই জানুয়ারি হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন শক্তিপদ ভুঁইয়া।১০ই জানুয়ারি তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।
চিকিৎসা বাবদ খরচ হয়েছিল এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকা। তবে তাকে দুই হাজার টাকার বেশি দিতে হয়নি। তার স্ত্রী ঝর্ণাভুঁইয়া স্বনির্ভর দলের সদস্য। তার নামে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড আগে ছিল। সেই কার্ড দেখিযে চিকিৎসার খরচের প্রায় পুরোটাই ছাড় পেয়েছেন তিনি। শক্তিপদ ভূঁইয়ার বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নারায়ণগড় পঞ্চায়েত সমিতির মকরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত গুঁড়ি এলাকায়।১৯৯৮ ও ২০০৩ সালে দু'দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ভোটে দাঁড়িয়ে ছিলেন।এবং জয় লাভ করে ছিলেন। সিপিএমের পাটি সদস্য ছিলেন। তার চার ছেলে বেকার।
চিকিৎসার টাকা জোগাড় করা তার সম্ভব ছিলনা। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প আমায় বাঁচিয়ে দিয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন আমি চাই মানবিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সরকার ফের ক্ষমতায় ফিরে আসুক। আগে স্বনির্ভর গোষ্ঠী সহ নির্দিষ্ট কিছু পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষ রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হতে পারতেন। সম্প্রতি সেই প্রকল্পকে সর্বজনীন করার জন্য ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতেও সবথেকে বেশি ভীড় বেড়েছে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড এর জন্য। যদিও বিরোধীরা বারবার এই প্রকল্পের সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ।সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের খবর রাজ্যের শাসক দল কে খুশি করেছে। নারায়ণগড় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মিহির চন্দ বলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর সুফল ইতিমধ্যে মানুষ পেতে শুরু করেছেন।
সেটা বুঝতে পেরে বিভ্রান্তি ছড়ানো বিজেপি নেতাদের পরিবার ওই কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এই বিষয়টি পরিস্কার হয়ে গেছে। তাই এই প্রবীণ সিপিএম নেতা উপকৃত হয়েছেন বলে তিনি পুনরায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চাইছেন বলে তিনি জানান।

Post a Comment